মেনু নির্বাচন করুন

গড়াই নদী

বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে চলা গড়াই নদীতে জেলেরা প্রতিদিন জীবিকা অর্জণের জন্য ভেসে বেড়ায়। জাল ফেলে শিকার করে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতীর মাছ। এই মাছ বাজারে বিক্রি করে একদিকে তারা যেমন নিজেদের জীবিকা অর্জণ করছেন অন্যদিকে বাংলাদেশের মানুষদের জন্য প্রচুর পরিমাণ আমিষের চাহিদা পূরণ করছেন।

গড়াইনদী:

গড়াই নদীটি  কুষ্টিয়া জেলার   হতাশ হরিপুর   ইউনিয়নেপ্রবহমান পদ্মানদী হতেউৎপত্তিলাভকরে মাগুরাজেলারশ্রীপুরউপজেলার নাকোলইউনিয়নপর্যন্তপ্রবাহিতহয়ে মধুমতিনদীতে পতিতহয়েছে।[] একসময়গড়াইনদীদিয়েগঙ্গারপ্রধানধারাপ্রবাহিতহতো, যদিওহুগলি-ভাগীরথী ছিল গঙ্গার আদিধারা। কুষ্টিয়া জেলারউত্তরে হার্ডিঞ্জসেতুর ১৯কিলোমিটারভাটিতেতালবাড়িয়ানামকস্থানেগড়াইনদী পদ্মা থেকেউৎপন্নহয়েছে।নদীটি কুষ্টিয়া জেলারভিতরদিয়েপ্রবাহিতহয়েগণেশপুরনামকস্থানে ঝিনাইদহজেলায় প্রবেশকরেছে।অতঃপর ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সীমানাবরাবরপ্রবাহিতহয়েচাদরনামকগ্রামদিয়ে রাজবাড়ীজেলায় প্রবেশকরেছে।এরপর ঝিনাইদহ-রাজবাড়ীজেলামাগুরাজেলা-রাজবাড়ীজেলা এবং মাগুরাজেলা-ফরিদপুর জেলারসীমানাবরাবরপ্রবাহিতহয়ে মধুমতিনদী নামে নড়াইল ও বাগেরহাট জেলারমধ্যদিয়েপ্রবাহিতহয়েছে।গড়াইনদী-মধুমতীনদীরগতিপথআঁকাবাঁকাওদীর্ঘ।গড়াইনামে৮৯কিমি, মধুমতীনামে১৩৭কিমিএবংবলেশ্বরনামে১৪৬কিমিঅর্থাৎমোটদৈর্ঘ্য৩৭২কিমি।গড়াইয়েরবহুশাখা-প্রশাখারয়েছে- কুমারনদী, কালীগঙ্গা, ডাকুয়া, বুড়িগড়াই, বুড়িশালইত্যাদিগড়াইয়েরশাখা।তাছাড়া নবগঙ্গানদী, চিত্রা, কপোতাক্ষ, সাতক্ষীরারযমুনা, গোলঘেসিয়া, এলেংখালী, আঠারোবাঁকিপ্রভৃতিনদীএরসংস্পর্শেএসেছে।এছাড়াওবারাশিয়া, কুমারনদী, চন্দনাপ্রভৃতিএইনদীরউপনদী।উৎপত্তিস্থলথেকেকামারখালীপর্যন্তবর্ষামৌসুমেনৌকাওঅন্যান্যছোটনৌযানচলাচলকরে, কিন্তুশুকনোমৌসুমেএঅংশঅনাব্যহয়েপড়ে।কামারখালীথেকেভাটিরঅংশমোটামুটিনাব্য, সারাবছরএখানেনৌযানচলাচলকরতেপারে।নদীটিরউৎসমুখথেকেনড়াইলেরগড়প্রস্থ৪৫০মিটার।নদীটিরমোহনাথেকেউজানেকামারখালীপর্যন্তঅংশজোয়ার-ভাটাদ্বা্রাপ্রভাবিতহয়।[] পদ্মারসাথেসংযুক্তহওয়ায়নৌপথেপণ্যআদানপ্রদানেবিশেষসহযোগীহিসাবেকাজকরে।নদীকেকেন্দ্রকরেগড়েউঠেছেঅনেকজনপদ।নদীতেপ্রচুরপরিমাণমত্‍সরয়েছেযাএঅঞ্চলেরমানুষআহরনেরমাধ্যমেজীবিকানির্বাহকরে। মধুমতিনদী তীরবর্তীঅঞ্চলখুবউর্বর।তাইফসলউত্‍পাদনেরজন্যঅনুকূল।

 

 


Share with :

Facebook Twitter